اهل البيت

اسلامي احاديث خطب ادعية
 
الرئيسيةاليوميةس .و .جبحـثالأعضاءالمجموعاتالتسجيلدخول

شاطر | 
 

 hadith islam 2

استعرض الموضوع السابق استعرض الموضوع التالي اذهب الى الأسفل 
كاتب الموضوعرسالة
Admin
Admin
avatar

المساهمات : 599
تاريخ التسجيل : 21/04/2016

مُساهمةموضوع: hadith islam 2   السبت ديسمبر 31, 2016 12:57 am

عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: سَمِعْت رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم يَقُولُ

” بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَحَجِّ الْبَيْتِ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ”.

[رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ، رقم : 8، وَمُسْلِمٌ ، رقم : 21  ]

হাদীস – ৩

আবু আব্দির রহমান আব্দুল্লাহ্ ইবন উমার ইবন আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি,

“পাঁচটি জিনিসের উপর ইসলামের বুনিয়াদ রাখা হয়েছে— সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন সত্য মা‘বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, আল্লাহর ঘরের হজ্জ করা এবং রমাদানের সওম পালন করা।”

[বুখারী: ৮, মুসলিম: ২১]



عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم :

“مِنْ حُسْنِ إسْلَامِ الْمَرْءِ تَرْكُهُ مَا لَا يَعْنِيهِ”.

[حَدِيثٌ حَسَنٌ، رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ, رقم: 2318، ابن ماجه, رقم: 3976]

হাদীস – ১২

আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

“অনর্থক অপ্রয়োজনীয় বিষয় ত্যাগ করাই একজন ব্যক্তির উত্তম ইসলাম।”

[হাদীসটি হাসান। তিরমিযী: ২৩১৮, ইবনে মাজাহ: ৩৯৭৬]



عَنْ أَبِي حَمْزَةَ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ خَادِمِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ:

“لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى يُحِبَّ لِأَخِيهِ مَا يُحِبُّ لِنَفْسِهِ”.

[رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ, رقم: 13، وَمُسْلِمٌ, رقم: 45]

হাদীস – ১৩

আবু হামযাহ্ আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের খাদেম-হতে বর্ণিত হয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

“তোমাদের মধ্যে কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করবে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।”

[বুখারী: ১৩, মুসলিম: ৪৫]


“مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاَللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاَللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ جَارَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاَللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ”.

[رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ, رقم: 6018، وَمُسْلِمٌ, رقم: 47]

হাদীস – ১৫

আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

“যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতে ঈমান রাখে, তার উচিত হয় উত্তম কথা বলা অথবা চুপ থাকা। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতে ঈমান রাখে, তার উচিত আপন প্রতিবেশীর প্রতি সদয় হওয়া। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে, তার উচিত আপন অতিথির সম্মান করা।”

[বুখারীঃ ৬০১৮, মুসলিমঃ ৪৭]


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنْ رَجُلًا قَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أَوْصِنِي. قَالَ:

لَا تَغْضَبْ، فَرَدَّدَ مِرَارًا، قَالَ: لَا تَغْضَبْ” .

[رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ: 6116]

হাদীস – ১৬

আবূ হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে- এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলল: আমাকে কিছু উপদেশ দিন। তিনি বললেন:

রাগ করো না। লোকটি বার বার রাসূলের নিকট উপেদশ চায় আর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: রাগ করো না।

[বুখারী: ৬১১৬]


عَنْ أَبِي ذَرٍّ جُنْدَبِ بْنِ جُنَادَةَ، وَأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ:

“اتَّقِ اللَّهَ حَيْثُمَا كُنْت، وَأَتْبِعْ السَّيِّئَةَ الْحَسَنَةَ تَمْحُهَا، وَخَالِقْ النَّاسَ بِخُلُقٍ حَسَنٍ”.

[رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ: 1987] وَقَالَ: حَدِيثٌ حَسَنٌ، وَفِي بَعْضِ النُّسَخِ: حَسَنٌ صَحِيحٌ.

হাদীস – ১৮

আবূ যার জুনদুব ইবন জুনাদাহ্ এবং আবূ আব্দুর রহমান মু’আয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত আছে, তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

তুমি যেখানে যে অবস্থায় থাক না কেন আল্লাহকে ভয় কর এবং প্রত্যেক মন্দ কাজের পর ভাল কাজ কর, যা তাকে মুছে দেবে; আর মানুষের সঙ্গে ভাল ব্যবহার কর।

[তিরমিযী: ১৯৮৭, এবং (তিরমিযী) বলেছেন যে, এটা হচ্ছে হাসান হাদীস। কোন কোন সংকলনে এটাকে হাসান সহীহ্ বলা হয়েছে।]


عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ:

“كُنْت خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم يَوْمًا، فَقَالَ: يَا غُلَام! إنِّي أُعَلِّمُك كَلِمَاتٍ: احْفَظْ اللَّهَ يَحْفَظْك، احْفَظْ اللَّهَ تَجِدْهُ تُجَاهَك، إذَا سَأَلْت فَاسْأَلْ اللَّهَ، وَإِذَا اسْتَعَنْت فَاسْتَعِنْ بِاَللَّهِ، وَاعْلَمْ أَنَّ الْأُمَّةَ لَوْ اجْتَمَعَتْ عَلَى أَنْ يَنْفَعُوك بِشَيْءٍ لَمْ يَنْفَعُوك إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ لَك، وَإِنْ اجْتَمَعُوا عَلَى أَنْ يَضُرُّوك بِشَيْءٍ لَمْ يَضُرُّوك إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَيْك؛ رُفِعَتْ الْأَقْلَامُ، وَجَفَّتْ الصُّحُفُ”.

[رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ: 2516] وَقَالَ: حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.

وَفِي رِوَايَةِ غَيْرِ التِّرْمِذِيِّ: “احْفَظْ اللَّهَ تَجِدْهُ أمامك، تَعَرَّفْ إلَى اللَّهِ فِي الرَّخَاءِ يَعْرِفُك فِي الشِّدَّةِ، وَاعْلَمْ أَنَّ مَا أَخْطَأَك لَمْ يَكُنْ لِيُصِيبَك، وَمَا أَصَابَك لَمْ يَكُنْ لِيُخْطِئَك، وَاعْلَمْ أَنَّ النَّصْرَ مَعَ الصَّبْرِ، وَأَنْ الْفَرَجَ مَعَ الْكَرْبِ، وَأَنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا”.

হাদীস – ১৯

আবূ আব্বাস আব্দুল্লাহ্ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেছেন- একদিন আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পিছনে ছিলাম, তিনি আমাকে বললেন: “হে যুবক! আমি তোমাকে কয়েকটি কথা শেখাবো- আল্লাহকে সংরক্ষণ করবে[2] তো তিনি তোমাকে সংরক্ষণ করবেন, আল্লাহকে স্মরণ করলে তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। যখন কিছু চাইবে তো আল্লাহর কাছেই চাইবে; যখন সাহায্য চাইবে তো আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবে। জেনে রাখ, সমস্ত মানুষ যদি তোমার কোন উপকার করতে চায় তবে আল্লাহ্ তোমার জন্য যা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, তা ব্যতীত আর কোন উপকার করতে পারবে না। আর যদি সমস্ত মানুষ তোমার কোন অনিষ্ট করতে চায় তবে আল্লাহ্ তোমার জন্য যা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন তা ব্যতীত আর কোন অনিষ্ট করতে পারবে না। কলম তুলে নেয়া হয়েছে এবং পৃষ্ঠা শুকিয়ে গেছে।”

[তিরমিযী: ২৫১৬, হাদীসটি সহীহ্ (হাসান) বলেছেন।]

তিরমিযী ছাড়া অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে:

“আল্লাহকে স্মরণ করবে তো তাঁকে তোমার সম্মুখে পাবে, তুমি স্বচ্ছল অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করবে তো তিনি তোমাকে কঠিন অবস্থায় স্মরণ করবেন। মনে রেখো- যা তুমি পেলে না, তা তোমার পাবার ছিল না, আর যা তুমি পেলে তা তুমি না পেয়ে থাকতে না। আরো জেনে রাখো- ধৈর্য্য ধারণের ফলে (আল্লাহর) সাহায্য লাভ করা যায়। কষ্টের পর স্বাচ্ছন্দ আসে। কঠিন অবস্থার পর স্বচ্ছলতা আসে।”



عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ عُقْبَةَ بْنِ عَمْرٍو الْأَنْصَارِيِّ الْبَدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم:

“إنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلَامِ النُّبُوَّةِ الْأُولَى: إذَا لَمْ تَسْتَحِ فَاصْنَعْ مَا شِئْت”.

[رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ: 3483].

হাদীস – ২০

আবূ মাসউদ উকবাহ্ ইবন আমর আল-আনসারী আল-বদরী রাদিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত হয়েছে- তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

“অতীতের নবীগণের কাছ থেকে মানুষ একথা জানতে পেরেছে- যদি তোমার লজ্জা না থাকে তাহলে যা ইচ্ছা তাই কর।”



عَنْ أَبِي عَمْرٍو وَقِيلَ: أَبِي عَمْرَةَ سُفْيَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ:

“قُلْت: يَا رَسُولَ اللَّهِ! قُلْ لِي فِي الْإِسْلَامِ قَوْلًا لَا أَسْأَلُ عَنْهُ أَحَدًا غَيْرَك؛ قَالَ: قُلْ: آمَنْت بِاَللَّهِ ثُمَّ اسْتَقِمْ”.

[رَوَاهُ مُسْلِمٌ: 38]

হাদীস – ২১

আবূ আমরকে আবূ আমরাহ্ও বলা হয়- সুফিয়ান ইবন আব্দুল্লাহ্ হতে বর্ণনা করেছেন-

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে এমন কিছু বলে দিন যেন আপনাকে ব্যতীত আর কারো কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন না হয়। তিনি বললেন: বল- ‘আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি’; তারপর এর উপর দৃঢ় থাক।”


عَنْ النَّوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ: “الْبِرُّ حُسْنُ الْخُلُقِ، وَالْإِثْمُ مَا حَاكَ فِي صَدْرِك، وَكَرِهْت أَنْ يَطَّلِعَ عَلَيْهِ النَّاسُ” رَوَاهُ مُسْلِمٌ [رقم:2553].


আন-নওয়াস ইবন সাম’আন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:

“উত্তম চরিত্র হচ্ছে নেকী, আর গোনাহ্ তাকে বলে যা তোমার মনকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে এবং তা লোকে জানুক তা তুমি অপছন্দ কর।”

[মুসলিম: ২৫৫৩]



عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ جُرْثُومِ بن نَاشِبٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَال: “إنَّ اللَّهَ تَعَالَى فَرَضَ فَرَائِضَ فَلَا تُضَيِّعُوهَا، وَحَدَّ حُدُودًا فَلَا تَعْتَدُوهَا، وَحَرَّمَ أَشْيَاءَ فَلَا تَنْتَهِكُوهَا، وَسَكَتَ عَنْ أَشْيَاءَ رَحْمَةً لَكُمْ غَيْرَ نِسْيَانٍ فَلَا تَبْحَثُوا عَنْهَا”.

حَدِيثٌ حَسَنٌ، رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيّ [“في سننه” 4/184]، وَغَيْرُهُ.

হাদীস – ৩০

আবূ সা’লাবাহ্ আল-খুশানী জুরসূম ইবন নাশিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

“নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ তা‘আলা ফরযসমূহকে অবশ্য পালনীয় করে দিয়েছেন, সুতরাং তা অবহেলা করো না। তিনি সীমা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, সুতরাং তা লঙ্ঘন করো না। এবং কিছু জিনিস হারাম করেছেন, সুতরাং তা অমান্য করো না। আর তিনি কিছু জিনিসের ব্যাপারে নিরবতা অবলম্বন করেছেন-তোমাদের জন্য রহমত হিসেবে; ভুলে গিয়ে নয়-সুতরাং সেসব বিষয়ে বেশী অনুসন্ধান করো না।”

[হাদীসটি হাসান (সহীহ্), আদ্-দারা কুতনী: ৪/১৮৪ ও অন্যান্য কয়েকজন বর্ণনা করেছেন।]



عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ‍! دُلَّنِي عَلَى عَمَلٍ إذَا عَمِلْتُهُ أَحَبَّنِي اللَّهُ وَأَحَبَّنِي النَّاسُ؛ فَقَالَ: “ازْهَدْ فِي الدُّنْيَا يُحِبُّك اللَّهُ، وَازْهَدْ فِيمَا عِنْدَ النَّاسِ يُحِبُّك النَّاسُ” .

[حديث حسن، رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ، رقم: 4102، وَغَيْرُهُ بِأَسَانِيدَ حَسَنَةٍ]

হাদীস – ৩১

আবুল আব্বাস সাহল ইবন সা’দ আস্-সা’ইদী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন:

“এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হয়ে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কাজ বলুন যা করলে আল্লাহ্ আমাকে ভালবাসেন, লোকেরাও আমাকে ভালবাসে।

তখন তিনি বললেন: দুনিয়ার প্রতি অনুরাগী হবে না, তাহলে আল্লাহ্ তোমাকে ভালবাসবেন; আর মানুষের কাছে যা আছে তার ব্যাপারে আগ্রহী হবে না, তাহলে মানুষও তোমাকে ভালবাসবে।”

[ইবনে মাজাহ্: ৪১০২]




‏عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏ ‏قَالَ ‏ ‏مَا نَقَصَتْ صَدَقَةٌ مِنْ مَالٍ وَمَا زَادَ اللَّهُ عَبْدًا بِعَفْوٍ إِلَّا عِزًّا وَمَا تَوَاضَعَ أَحَدٌ لِلَّهِ إِلَّا رَفَعَهُ اللَّهُ
‏____________________
صحيح مسلم / ‏كِتَاب ‏ ‏الْبِرِّ وَالصِّلَةِ وَالْآدَابِ
‏ ‏بَاب ‏ ‏اسْتِحْبَابِ الْعَفْوِ وَالتَّوَاضُعِ

রাসূল স. বলেছেনঃ দান সম্পদ কমায় না; ক্ষমা দ্বারা আল্লাহ কোন বান্দার সম্মান বৃদ্ধি ছাড়া হ্রাস করেন না এবং যে কেউ আল্লাহ’র ওয়াস্তে বিনয় প্রকাশ করে, আল্লাহ তাঁকে উন্নত করেন।

_____________________________________________
তথ্য সূত্র: আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত। [মুসলিম: কিতাবুল বিররি ওয়াস্সালাতু ওয়াল আদাব] [মিশকাত: ১৭৯৫, অধ্যায় দানের মাহাত্ম্য]



كفى بالمرء كزبا ان يحدث بكل ماسمع- رواه مسلم

রাসূল(সা) বলেন ,কোন ব্যক্তি মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনবে (তার সত্যতা যাচাই না করে) তাই বলবে (অথবা বলে বেড়াবে) ।

____________________________________________________________________
তথ্য সূত্র:[হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্নীত]  মুসলিম , মিশকাতঃ১৪৯


‏قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏ ‏إِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِعَبْدِهِ الْخَيْرَ عَجَّلَ لَهُ الْعُقُوبَةَ فِي الدُّنْيَا وَإِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِعَبْدِهِ الشَّرَّ أَمْسَكَ عَنْهُ بِذَنْبِهِ حَتَّى ‏ ‏يُوَافِيَ ‏ ‏بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏ سنن الترميذي / ‏ ‏كِتَاب ‏ ‏الصَّيْدِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ‏ ‏بَاب ‏ ‏مَا جَاءَ فِي الصَّبْرِ عَلَى الْبَلَاءِ ‏

আল্লাহ যখন তার বান্দার ভাল চান, তাকে পৃথিবীতেই (তাঁর পাপ কর্মের) শাস্তি দেন এবং যখন কোন বান্দার অকল্যাণ করার ইচ্ছা করেন, তাকে ( তাঁর পাপ কর্মের ) শাস্তি দেয়া থেকে বিরত থাকেন। অবশেষে কিয়ামতের দিন তাকে তাঁর পাপকর্মের পূর্ণ শাস্তি দিবেন।



إِنَّ نَاسًا مِنْ ‏ ‏الْأَنْصَارِ ‏ ‏سَأَلُوا رَسُولَ اللَّهِ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏ ‏فَأَعْطَاهُمْ ثُمَّ سَأَلُوهُ فَأَعْطَاهُمْ ثُمَّ سَأَلُوهُ فَأَعْطَاهُمْ حَتَّى نَفِدَ مَا عِنْدَهُ فَقَالَ ‏ ‏مَا يَكُونُ عِنْدِي مِنْ خَيْرٍ فَلَنْ أَدَّخِرَهُ عَنْكُمْ وَمَنْ يَسْتَعْفِفْ يُعِفَّهُ اللَّهُ وَمَنْ يَسْتَغْنِ يُغْنِهِ اللَّهُ وَمَنْ يَتَصَبَّرْ يُصَبِّرْهُ اللَّهُ وَمَا أُعْطِيَ أَحَدٌ عَطَاءً خَيْرًا وَأَوْسَعَ مِنْ الصَّبْرِ
_____________________________
‏ صحيح بخاري / ‏كِتَاب ‏ ‏الزَّكَاةِ‏ ‏بَاب ‏ ‏الِاسْتِعْفَافِ عَنْ الْمَسْأَلَةِ
আনসারীদের কিছু লোক নবী স.এর কাছে কিছু চাইলেন, নবী স. তাঁদের কিছু দিলেন, এভাবে তাঁর কাছে যা ছিল তা শেষ হয়ে গেল । তখন তিঁনি বললেন, আমার কাছে যা সম্পদ থাকে আমি তা তোমাদের না দিয়ে কখন জমা করি না । (কিন্তু মনে রেখ ) যে মানুষের কাছে চাওয়া থেকে বেঁচে থাকতে চায়, আল্লাহ তাঁকে চাওয়া থেকে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করে দেন। এবং যে মানুষের উপর নির্ভরশীল হওয়া থেকে বেঁচে থাকতে চায়, আল্লাহ তাঁকে কারো উপর নির্ভরশীল না করেই রাখেন। আর যে ধৈর্য ধরতে চায়, আল্লাহ তাঁকে ধৈর্য ধরার সামর্থ দান করেন। মনে রেখ! ধৈর্য থেকে ভাল ও প্রশস্ততর কোন দান কোন ব্যক্তি লাভ করতে পারে না।  



‏أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏ ‏قَالَ ‏ ‏أَفْضَلُ الصَّدَقَةِ أَوْ ‏ ‏خَيْرُ الصَّدَقَةِ عَنْ ظَهْرِ غِنًى وَالْيَدُ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنْ الْيَدِ السُّفْلَى وَابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ صحيح مسلم / ‏كِتَاب ‏ ‏الزَّكَاةِ ‏‏ ‏بَاب ‏ ‏بَيَانِ أَنَّ الْيَدَ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنْ الْيَدِ السُّفْلَى وَأَنَّ الْيَدَ الْعُلْيَا هِيَ الْمُنْفِقَةُ وَأَنَّ السُّفْلَى هِيَ الْآخِذَةُ ‏
‏                                                                                                          
আল্লাহ বলেন : হে আদম সন্তান ! তোমার প্রয়োজনের অতিরিক্ত যা আছে, তা দান করবে- এটি তোমার জন্য ভাল এবং যদি তা (অতিরিক্ত সম্পদ) তুমি ধরে রাখ তা তোমার জন্য খারাপ। তবে জীবন ধারণ করবার জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু ধরে রাখলে তুমি নিন্দাযোগ্য হবে না এবং প্রথমে দান করবে তোমার পোষ্যদের।

________________________


‏أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏ ‏يَقُولُ ‏ ‏لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَاطِعٌ ‏ صحيح بخاري / كِتَاب ‏ ‏الْأَدَبِ ‏
‏ ‏بَاب ‏ ‏إِثْمِ الْقَاطِعِ ‏

রাসুল স. বলেছেন: আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।



ان الشيطن يستحل الطعام ان لايذكراسم الله عليه

শয়তান সেই খাবারকে নিজের জন্য হালাল করে নেয়, যদি না তাতে বিসমিল্লাহ বলা হয়।


পরীক্ষা

‏قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ النَّاسِ أَشَدُّ بَلَاءً قَالَ ‏ ‏الْأَنْبِيَاءُ ثُمَّ الْأَمْثَلُ فَالْأَمْثَلُ ‏ ‏فَيُبْتَلَى الرَّجُلُ عَلَى حَسَبِ دِينِهِ فَإِنْ كَانَ دِينُهُ صُلْبًا اشْتَدَّ بَلَاؤُهُ وَإِنْ كَانَ فِي دِينِهِ رِقَّةٌ ابْتُلِيَ عَلَى حَسَبِ دِينِهِ فَمَا ‏ ‏يَبْرَحُ ‏ ‏الْبَلَاءُ بِالْعَبْدِ حَتَّى يَتْرُكَهُ يَمْشِي عَلَى الْأَرْضِ مَا عَلَيْهِ خَطِيئَةٌ ‏ سنن الترميذي / ‏ ‏كِتَاب ‏ ‏الصَّيْدِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ َسَلَّمَ ‏‏ ‏بَاب ‏ ‏مَا جَاءَ فِي ‏ ‏الذَّكَاةِ ‏ ‏بِالْقَصَبِ وَغَيْرِهِ

একবার রাসূল স. কে জিজ্ঞেস করা হল “ বিপদ দিয়ে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা করা হয় কাদের?”
নবী স. বললেন “ নবীদের, অতঃপর তাঁদের তুলনায় যারা উত্তম তাঁদের। মানুষ তাঁর ধার্মিকতার অনুপাতে বিপদগ্রস্ত হয়। যদি সে তাঁর দ্বীনের (ইসলামের) ব্যাপারে শক্ত হয়, তাঁর বিপদও শক্ত হয়।  যদি তাঁর দ্বীনের ব্যাপারে শিথিলতা থাকে, তবে বিপদও সহজ হয়। এভাবে তাঁর  বিপদ হতে থাকে, শেষ পর্যন্ত সে পৃথিবীতে চলাফেরা করে, অথচ তাঁর কোন গোনাহ থাকে না। ”


اذا كذب العبد تباعد عنه الملك ميلا من نتن ماجاء به

যখন কোন বান্দা মিথ্যা বলে, তখন তার দুর্গন্ধে ফেরেশতা তাঁর থেকে এক মাইল দূরে চলে যায়।




‏عَنْ النَّبِيِّ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏ ‏قَالَ ‏ ‏إِيَّاكُمْ وَالْجُلُوسَ عَلَى الطُّرُقَاتِ فَقَالُوا مَا لَنَا بُدٌّ إِنَّمَا هِيَ مَجَالِسُنَا نَتَحَدَّثُ فِيهَا قَالَ فَإِذَا أَبَيْتُمْ إِلَّا الْمَجَالِسَ فَأَعْطُوا الطَّرِيقَ حَقَّهَا ‏ ‏قَالُوا ‏ ‏وَمَا حَقُّ الطَّرِيقِ قَالَ غَضُّ الْبَصَرِ وَكَفُّ الْأَذَى وَرَدُّ السَّلَامِ وَأَمْرٌ بِالْمَعْرُوفِ وَنَهْيٌ عَنْ الْمُنْكَرِ ‏ صحيح بخاري / ‏كِتَاب ‏ ‏الْمَظَالِمِ وَالْغَصْبِ

তোমরা রাস্তার উপর বসা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখ। তাঁরা (সাহাবীরা) বললেন: “ হে আল্লাহ’র রাসূল! আমাদের রাস্তার উপর বসা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। কারণ, সেখানে বসে আমরা প্রয়োজনীয় আলাপ-আলোচনা করি।”  তিনি স. বললেন “ যদি তোমরা সেখানে (রাস্তায়) বসতে একান্ত বাধ্য হও, তবে রাস্তার হক আদায় করবে।” তাঁরা (সাহাবিরা) জিজ্ঞেস করলেন “ রাস্তার হক কী?” তিনি বললেন “ চোখ বন্ধ রাখা, কাউকে কষ্ট না দেয়া, সালামের উত্তর দেয়া, ভাল কাজের আদেশ করা এবং খারাপ কাজ থেকে নিষেধ করা।

■ব্যাখ্যা: যারা মানুষের যাতায়াতের পথে বসে থেকে প্রয়োজনে সামাজিক কথাবার্তা, লেন-দেন কিংবা বেচা-কেনা ইত্যাদি করতে একান্তই বাধ্য, তাদেরকে কয়েকটি ব্যাপারের প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

১. দৃষ্টি অবনত রাখা- যেমন, কোন নারী যাচ্ছে, তাঁর প্রতি দৃষ্টি না দেয়া। পথচারির দোষত্রুটি দেখতে পেলে তা গোপন রাখা এবং কোন পথচারীর সমালোচনা না করা।
২. কাউকে কষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকা। যেমন:- পথচারীর চলা-চলের জন্য রাস্তার প্রশস্ত স্থান ছেড়ে বসা, কারো সাথে দুর্ব্যবহার না করা ইত্যাদি।
৩. কোন পথচারি সালাম করলে সালামের জবাব দেয়া।
৪.  ভাল কাজের আদেশ করা এবং কেউ অন্যায় করছে এমন দেখলে বাধা দেয়া।



بَيْنَا نَحْنُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏ ‏إِذْ جَاءَهُ رَجُلٌ مِنْ ‏ ‏بَنِي سَلَمَةَ ‏ ‏فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ بَقِيَ مِنْ بِرِّ أَبَوَيَّ شَيْءٌ أَبَرُّهُمَا بِهِ بَعْدَ مَوْتِهِمَا قَالَ ‏ ‏نَعَمْ الصَّلَاةُ عَلَيْهِمَا ‏ ‏وَالِاسْتِغْفَارُ لَهُمَا وَإِنْفَاذُ عَهْدِهِمَا مِنْ بَعْدِهِمَا وَصِلَةُ الرَّحِمِ الَّتِي لَا تُوصَلُ إِلَّا بِهِمَا وَإِكْرَامُ صَدِيقِهِمَا سنن أبي داؤود / ‏ ‏ ‏كِتَاب ‏ ‏الْأَدَبِ ‏‏ ‏بَاب ‏ ‏فِي بِرِّ الْوَالِدَيْنِ ‏

একবার আমরা রাসূল স. এর কাছে বসে ছিলাম। এমন সময় বনু সালিমা গোত্রের একজন এসে বললেন " হে আল্লাহ'র রাসূল আমার মা বাবার মৃত্যুর পরও কি তাদের প্রতি সদাচরণ করার কোন উপায় আছে?" নবী বললেন " হ্যা, তাদের জন্য দোআ ও ক্ষমা প্রার্থনা করা, তাদের মৃত্যুর পর তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করা, শুধু তাদের সন্তুষ্টির জন্য আত্মীয়দের সাথে ভাল ব্যবহার করার এবং তাদের বন্ধু-বান্ধবের প্রতি সম্মানসূচক ব্যবহার করা।"



‏سَمِعْتُ النَّبِيَّ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏ ‏يَقُولُ ‏ ‏لَوْ كَانَ لِابْنِ ‏ ‏آدَمَ ‏ ‏وَادِيَانِ مِنْ مَالٍ لَابْتَغَى ثَالِثًا وَلَا يَمْلَأُ جَوْفَ ابْنِ ‏ ‏آدَمَ ‏ ‏إِلَّا التُّرَابُ وَيَتُوبُ اللَّهُ عَلَى مَنْ تَابَ ‏ صحيح بخاري / ‏كِتَاب ‏ ‏الرِّقَاقِ ‏‏ ‏بَاب ‏ ‏مَا يُتَّقَى مِنْ فِتْنَةِ الْمَالِ ‏ ‏وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى ‏ ‏إِنَّمَا أَمْوَالُكُمْ وَأَوْلَادُكُمْ فِتْنَةٌ

নবী স. বলেছেন " আদম সন্তানকে ধন দৌলত ভরপুর দুইটি উপত্যকাও যদি দেয়া হয় তবুও সে তৃতীয়টির জন্য  আকাঙ্ক্ষা করবে। আসলে, আদম সন্তানের পেট মাটি ছাড়া অন্য কিছুই পূর্ণ করতে পারে না; আর যে আল্লাহ তাআলার কাছে তাওবা করে আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন।



‏قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ‏ ‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏ ‏لَا يَرْحَمُ اللَّهُ مَنْ لَا يَرْحَمُ النَّاسَ صحيح بخاري / ‏كِتَاب ‏ ‏التَّوْحِيدِ ‏
‏ بَاب ‏ ‏قَوْلِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى ‏ ‏قُلْ ادْعُوا اللَّهَ ‏ ‏أَوْ ادْعُوا الرَّحْمَنَ أَيًّا مَا تَدْعُوا فَلَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى

রাসূল সা. বলেছেন,আল্লাহ তা’য়ালা সেই ব্যাক্তির উপর দয়া করেন না,যে ব্যাক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না।

https://trueleadership4us.wordpress.com/page/18/
الرجوع الى أعلى الصفحة اذهب الى الأسفل
معاينة صفحة البيانات الشخصي للعضو http://duahadith.forumarabia.com
 
hadith islam 2
استعرض الموضوع السابق استعرض الموضوع التالي الرجوع الى أعلى الصفحة 
صفحة 1 من اصل 1
 مواضيع مماثلة
-
» Permissibility of Celebrating Mawlid from Qur'an & Hadith!!‏
» معلومات عن شاروخان
» Collection of Arab and Islamic Proverbs

صلاحيات هذا المنتدى:لاتستطيع الرد على المواضيع في هذا المنتدى
اهل البيت :: الفئة الأولى :: الاسلام باللغة البنغالية পবিত্র কুরআন :: Hadith-
انتقل الى: